গায়েবী অভিযোগে তদন্ত কমিটি, নাজেহাল তিতাস গ্যাসের কর্মচারীরা নাজমুল হাসানঃ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র একাধিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে গায়েবি ও ভৌতিক অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি এ কারণে ভুক্তভোগী হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তিতাস গ্যাস কোম্পানিকে লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে গত কয়েক বছর যাবত জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে। কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত গ্রাহক আঙ্গিনা ভিজিট করে অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জরিমানা আদায় সহ নানা রকম শাস্তি মূলক ব্যবস্থা করছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একটি মহল নানা সময়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে বিভিন্নভাবে হয়রানি মূলক অভিযোগ করে আসে। সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠিত হলে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। গত ৮ জুলাই তিতাস গ্যাসের নারায়ণগঞ্জের উপমহা ব্যবস্থাপক বরাবর সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শফিক নাম দিয়ে কে বা কারা একটি ভৌতিক দরখাস্ত জমা দেয়। সেই দরখাস্তটি ভুলে ভরা ও অসমাপ্ত। কোন নিবেদক নেই। অভিযোগকারীর পরিচয় ও কোন মোবাইল নাম্বার দেওয়া নেই। সেখানে একজনকে ফারুক কোড নাম্বার-০৮০২৬ এবং অপরজনকে মিঠু কোড নং-০৯৬৪৯ উল্লেখ করে কয়েকটি বাসার হোল্ডিং নাম্বার এবং একজনের মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলা হয় এসব হোল্ডিং থেকে ফারুক ও মিঠু বছরের পর বছর অনৈতিক সুবিধা নিয়ে আসছে। পরবর্তীতে দরখাস্তে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে কল দিলে কাওসার নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিকদকে জানান কে বা কারা কি কারণে তার মোবাইল নাম্বারটি দিয়েছে তা তার জানা নেই। এবং তিতাস গ্যাসের কাউকে ঘুষ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি। এবং তার নিজের বাড়ি নেই একটি ফার্মেসির মালিক তিনি বলেও জানান।তবে নারায়ণগঞ্জ এলাকায় বসবাস করার কথা স্বীকার করেন মোবাইল নাম্বারে কল দেওয়া ওই ব্যক্তি।
Reporter Name
-
আপডেট টাইম :
বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫
-
১১০৩
বার পঠিত
নাজমুল হাসানঃ
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি’র একাধিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে গায়েবি ও ভৌতিক অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি এ কারণে ভুক্তভোগী হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তিতাস গ্যাস কোম্পানিকে লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে গত কয়েক বছর যাবত জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে। কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত গ্রাহক আঙ্গিনা ভিজিট করে অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জরিমানা আদায় সহ নানা রকম শাস্তি মূলক ব্যবস্থা করছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একটি মহল নানা সময়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে বিভিন্নভাবে হয়রানি মূলক অভিযোগ করে আসে। সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠিত হলে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। গত ৮ জুলাই তিতাস গ্যাসের নারায়ণগঞ্জের উপমহা ব্যবস্থাপক বরাবর সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শফিক নাম দিয়ে কে বা কারা একটি ভৌতিক দরখাস্ত জমা দেয়। সেই দরখাস্তটি ভুলে ভরা ও অসমাপ্ত। কোন নিবেদক নেই। অভিযোগকারীর পরিচয় ও কোন মোবাইল নাম্বার দেওয়া নেই। সেখানে একজনকে ফারুক কোড নাম্বার-০৮০২৬ এবং অপরজনকে মিঠু কোড নং-০৯৬৪৯ উল্লেখ করে কয়েকটি বাসার হোল্ডিং নাম্বার এবং একজনের মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলা হয় এসব হোল্ডিং থেকে ফারুক ও মিঠু বছরের পর বছর অনৈতিক সুবিধা নিয়ে আসছে। পরবর্তীতে দরখাস্তে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে কল দিলে কাওসার নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিকদকে জানান কে বা কারা কি কারণে তার মোবাইল নাম্বারটি দিয়েছে তা তার জানা নেই। এবং তিতাস গ্যাসের কাউকে ঘুষ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি। এবং তার নিজের বাড়ি নেই একটি ফার্মেসির মালিক তিনি বলেও জানান।তবে নারায়ণগঞ্জ এলাকায় বসবাস করার কথা স্বীকার করেন মোবাইল নাম্বারে কল দেওয়া ওই ব্যক্তি।
Please Share This Post in Your Social Media
এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
Leave a Reply