ফারুক আহমেদ
উত্তরখান থানা মাস্টারপাড়া কলাবাগান মুন্ডা রোডে, বড় মসজিদের সাথে এডভান্স লেভেল ফ্যাক্টরি একটু পশ্চিম পাশে হাজরা বেগমের বাড়ি।নিজ বাড়িতে ভাড়াটিয়া দের হাতে খুন হয়েছেন হাজেরা বেগম, হাজারা বেগমের স্বামীর নাম মৃত আব্দুর রশিদ। হাজেরা বেগম বছর যাবত এখানে বসবাস করেছেন,বলে জানা যায়। হাজারো বেগম এই বাড়িতে একাই থাকতেন এই বাড়িতে দুই ফ্যামিলি ছিলেন। এক রুমের স্বামী স্ত্রী দুইজন থাকতেন, অন্য রুমে লুঙ্গি গামছা বিক্রেতা ফেরিওয়ালা ছিলেন এলাকার লোকজনের মুখে জানা যায় ভিকটিমের শুধু একটি মেয়ে আছে। হাজেরা বেগমের বাড়ির বিপরীত পাশে বড় ভাই আবুল হোসেনের বাড়ি, হাজেরা বেগমের বাড়িতে ফেরিওয়ালা গামছার লুঙ্গি বিক্রেতা সে হাজারা বেগমের মৃত্যুর দিন বাড়ী ত্যাগ করেন। সে আর আসেনি, ভিকটিমের বড় ভাই আবুল হোসেন সাথে সাক্ষাৎকারে সে বলেন। গতকাল থেকে আমার বোনকে দেখি না। পুলিশ যে মহিলাকে ধরে নিয়ে গেছে ওই মহিলাকে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে খালু দুদিন যাবত খালাকে দেখি না খালা কই এ কথা বলে হাসতে হাসতে চলে গেছে আমি ভাবতে পারি নাই এরা আমার বোনকে খুন করতে পারে। হয়তো আমার বোন ছোট ভাইয়ের বাসায় গেছে। দুপুরবেলায় ফোন করেছে আমার ছেলেকে শিপনের কাছে ভাই আমার তো ফোন ধরতেছে না। বোন আমিতো গুলসান আছি, আমি তো বলতে পারব না তাহলে কি আম্মা মরে গেছে আমার ফোন ধরে না দুই দিন যাবত। তারপর গুলশান থেকে আমার ছোট ছেলেকে ফোন করেছে বড় ছেলে দেখতো ফুফু কোথায় আছে। আমার ছেলে ইউসুফ জইয়া দেখে দরজায় তালা দেওয়া পরে দরজা ভেঙ্গে দেখি আমার বোন মরে পড়ে রয়েছে আমি ছিলাম নামাজ পড়া অবস্থায়। আমরা বহুবার থানায় ফোন করে যখন দেখি পুলিশ আসতে একটু লেট হয়। তখন আমরা ৯৯৯ ফোন করি। এবং থানার থেকে একটি টিম আছে এস আই মুশফিকুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সি আই ডি পুলিশ এসে ময়না তদন্তের জন্য লাশ নিয়ে যায়। বাড়িতে যে স্বামী-স্ত্রীর ভাড়াটিয়া এদেরকে এরেস্ট করে নিয়ে যায়। বর্তমানে মামলাটি প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আছে
Leave a Reply