বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা জেলার কামরাঙ্গীরচর সুলতানগঞ্জ ৬/৭/৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী শামসুল ইসলামের নিকাহ রেজিস্টার লাইসেন্স ভুয়া, তিনি মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট কম্পিউটার তৈরি করে ওই সার্টিফিকেট দ্বারা নিকাহ রেজিস্টার লাইসেন্স নেয়। উক্ত বিষয়টি জনসাধারণের ছড়িয়ে পড়লে রাষ্ট্রীয় স্বার্থে অভিযোগ দাখিল করা হলে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগ -৭ -তদন্ত কমিটি গঠন করে মন্ত্রণালয়ে দাখিল ও আলিম পাশের সনদ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আবেদনের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয় মোহাম্মদ সামসুল ইসলাম পিতা মোঃ কাজী নুরুল ইসলাম এর শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ দুইটি সম্পূর্ণ ভুয়া সার্টিফিকেট। আলিম ও দাখিল পাশের সনদ সম্পূর্ণ ভুয়া বানোয়াট বলে প্রমাণিত হয় সে পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮-১২-২০১৬ ইংরেজি তারিখ আইন ও বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিচার শাখায় সিনিয়র সহকারী সচিব জিএম নাজমুস শাহাদাত এর লিখিত আদেশ যার শারখ নং ৬ ৭ ৬ উক্ত আদেশে শামসুল ইসলামের নিকাহ রেজিস্টার লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সচিবের আদেশ কে অমান্য করে নিকাহ রেজিস্টার করে আসছে যাহা অপরাধের শামিল বটে।এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে জানা যায় ১৯৮৫ সাল থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত যতসব নিকাহ কাবিন রেজিস্ট্রি হয়েছে তাহা বৈধ হয়েছে কিনা জনমনে সন্দেহ বিরাজ করছে। সুত্র মতে মতে আরো জানা যায় শামসুল ইসলাম তিনি পূর্বে বাংলাদেশ গোয়েন্দা বিভাগে টাইপিস্ট পদে সরকারি চাকরি করা অবস্থায়ও তিনি এই ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন যা একটি রাষ্ট্রের সাথে অপরাধের শামিল। এ বিষয়ে স্থানীয় কাজী মোঃ সোহরাব হোসেন এর সাথে কথা বল্লে তিনি বলেন আমি ২০০৪ সালে নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজ শুরু করি। সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ে থেকে সুলতানগঞ্জ এলাকার লাইসেন্স প্রাপ্ত কাজী হিসেবে আমি সাবেক ৭৮৯ সুলতানগঞ্জ বর্তমান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৭ নং ওয়ার্ড।আইন মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো কাজী হতে হলে তাহার শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম আলিম পাস হতে হবে। আইন মন্ত্রণালয়ের খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন কাজী দাবিদার মোঃ শামসুল ইসলাম এর লাইসেন্স টি বৈধ নহে। এমনকি নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স নিতে হলে যে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় এবং তিনি যেটি জমা দিয়েছেন সেটিও বৈধ নয় । আমার নির্ধারিত এলাকায় কাজী হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হয়।
আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যাহারা ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করিয়া নিকাহ রেজিস্ট্রি করে আসছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে কাজী মোঃ শামসুল আলম জানান আমি মন্ত্রণালয় এই নকল সনদ দাখিল করিনি আমাকে ফাঁসানোর জন্য কে বা কাহারা দাখিল করিয়াছে সেটা আমার বোধগম্য নয়। এমনকি আমি সিআইডি বিভাগে যখন টাইপিং হিসেবে কর্মরত ছিলাম তখনো আমি এই সনদ জমা দেই নাই।
Leave a Reply